এই সাইটটি বন্ধ ঘোসনা

আজ থেকে এই সাইটটি বন্ধ ঘোষণা করলাম। এখন থেকে কোন রকম উন্নতি বা নতুন কোন পোষ্ট এখানে লেখা হবে না। এখন থেকে আমি আমার নিজস্ব সাইট ফাহিমে বাংলা ওয়েবব্লগে লিকব। আশা করি সেই সাইটটি আপনাদের বেশ পছন্দ হবে। এই সাইটের এই পর্যন্ত নোটিশবিভাগ ছাড়া বাকি সবগুলো পোষ্ট সেই সাইটটি স্টোর করা হয়েছে। সেখানে আরও নতুন অপসন যোগ করে সেটি আরও সুন্দর করে গড়ে তোলা হয়েছে। ধন্যবাদ।

সাইটটির ঠিকানাঃ http://fahimblog.co.cc/

কৌতুকনা শেষ পার্ট

।। খবর দেবো ।।
একদিন পরিচালকের কাছে একটি সুন্দরী মেয়ে এস হাজির হলো। পরিচালকে সে জানালো যে সে অভিনয় করতে চায়।
পরিচালক-ঠিকানা রেখে যান, যখন কোন বৃদ্ধার অভিনয় দরকার হবে, তখন আপনাকে খবর দেবো।
মেয়েটি-কিন্তু আমার বয়স তো এখন খুবই কম।
পরিচালক-যখন খবর দেবো তখন আপনি বুড়ো হয়ে যাবেন।

।। ঝর বনাম নোঙ্গর ।।
মাষ্টার-আচ্ছা তীর থেকে মাইলখানেক নৌকা বেয়ে চলে গেছো তুমি। এমন সময় ঝর উঠল। কি করবে তখন।
ছাত্রঃ নোঙ্গর ফেলে দেবো।
মাষ্টারঃধরো আরেকটা ঝর উঠলো?
ছাত্রঃআরেকটা নোঙ্গর ফেলব।
মাষ্টারঃহুমম। দরো যদি আরো একটা ঝর উঠলো?
ছাত্রঃআবার একটা নোঙ্গর ফেলব।
মাষ্টারঃআরে, এতো নোঙ্গর তুমি পাচ্ছ কোথায়?
ছাত্রঃ যেখান থেকে আপনি এতো ঝর পাচ্ছেন!

।। এই বাড়িটাই ।।
বাড়ির দালাল বোঝাচ্ছিল-দেখুন এই বাড়িটা খুবই ভালো। পাড়াটাও বেশ শান্ত। কোন ঝামেলা নেই। কোন কুকুর-বিড়ালের উৎপাত নেই।
ভাড়াটে খুশী হয়ে বললেন-তাহলে এই বাড়িটাই আমি নেব। আমার পোষা বেড়ালগুলো প্রতিবেশীদের বাড়িতে গিয়ে বেড়াতে পারবে আমার আর ওদের খাওয়াবার ভাবনা থাকবে না।

।। কুকুরের মুল্য ।।
এক খরিদ্দার কুকুর কিনতে এসে দোকানদারকে বললো-এই কুকুরটির দাম কতো? দোকানদার হেসে বললো-নিয়ে যান স্যার, মাত্র পাঁচশ টাকা। খরিদ্দার বলল-তা বিশ্বাশী কেমন?
তা আর বলে লাভ নেই স্যার, এর আগে দশ দশ বার এটাকে বিক্রি করেছি, ঠিক বাড়ি চিনে আবারও ফিরে এসেছে!

।। বাবা মাড়বে ।।
বন্ধুকে নিয়ে নতুন জায়গায় বেড়াতে গিয়েছে। সুন্দর একটা নদী। অপর বন্ধু পরামর্শ দেয়, চল, এ নদীতে স্নান করে আসি।
-কিন্তু, আমি সাঁতার জানি না যে!
-তাতে কি হয়েছে? আমি শিখিয়ে দেব।
-না, না, তা হয় না। নদীতে ডুবে মরলে বাবা ভীষণ মারবে।

।। ছেলের বুদ্ধি ।।
ছেলে বাবাকে জিগ্যেস করলো তার মাথার চুলগুলা একদম সাদা হয়ে গেল কেন?
বাবার উত্তর-তুমি রোজ রোজ পকেট থেকে টাকা চুরি কর। পড়াশুনা কর না। সেজন্যই হয়েছে।
ছেলে তখন বলল- এবারে বঝেছি দাদুর চুলগুলো সাদা হয়েছিল কেন?

কৌতুকনা পার্ট ৪

।। বয়স ।।
শিক্ষকঃ তোমার মতো বয়সে সে ওয়াশিংটনে একজন সার্ভেয়ার হয়ে গেছিল।
ছাত্রঃ আরে আপনার মতো বয়সে তিনি তো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছেন।

।। ব্যাবস্থাপত্র ।।
এই হোটেলের ব্যবস্থাপত্র সব কেমন?
ম্যানেজারঃ আপনার খুবই পছন্দ হবে। মনে হবে যেন আপনার বাড়িতেই আছেন।
তাহলে চলবে না। যদি বাড়ির অসুবিধাই পেতে হয় তাহলে হোটেলে আসব কেন?

।। ধুয়ে রাখি ।।
হোটেলের খাদ্য তালিকা দেখতে দেখতে খদ্দের বললো-“সাদা প্লেট স্পেশ্যাল” জিনিসটা কি?
আজ্ঞে, ওটার দাম এক টাকা বেশী।
খাবারটা কি একই নাকি আলাদা?
আজ্ঞে না, ওই প্লেট ভালো আমরা ধুয়ে রাখি।

।। লাইন ।।
রেশনের দোকানে এক মস্তো লাইন। কোনো জিনিসই পাওয়া যাচ্ছে না। এক লোক লাইন থেকে বেরোবার সময় বলে গেল, আমি রেশন অফিসারকে আমি খুন করব। একটু পরে উনি ফিরে এলেন। সবাই উনাকে জিজ্ঞাসা করল-কি, খুন করতে পেরেছেন কিনা। লোকটি মাথা নাড়লো। বললো-না, ওখানেও বিরাট লাইন রয়েছে।

।। মেজাজ ।।
রোগী (ডাক্তারবাবুকে)- এমন একটা ওষুধ দিন যাতে চট করে চাঙ্গা হয়ে উঠি। একেবাড়ে লড়াকু মেজাজ এন দিন।
ডাক্তার-আপনি আমার বিল দেখলেই ঐ মেজাজ পেয়ে যাবেন।

আশা করি এবার বেশ ভালো উপভোগ করেছেন।

কৌতুকনা পার্ট ৩

।। ছেলের পকেটে কান ।।
একদিন বাবলু ছেঁড়াফাটা জামা পড়ে বাড়িতে এলে ওর মা অবাক হয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলো-তোর এ অবস্হা কে করল?
বাবলু বলল-কে আবার, যার সঙ্গে মারপিট করেছি সে।
মা বলল-ছেলেটাকে তুই চিনিস?
বাবলু বলল-কেন চিনব না! এই তো ওর একটা কান আমার পকেটে রয়েছে।

।। দুই ধোপা ।।
দুইজন ধোপা সাহেবদের কাপড় দিতে যাচ্ছে-যেতে যেতে একজন অপরজনকে ডেকে বললো-একটু দাঁড়া, তুই যে কাপড় পড়েছিস ওখানা সামনের বাড়ির সাহেবদের কাপড়। বদলে নে!

।। ধনী হবার সহজ উপায় ।।
এক ব্যাক্তি সংবাদপেত্র এই বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেন-যারা সহজে ধনী হবার সহজ উপায় জানতে ইচ্ছা করেন, তারা এখন থেকে ছয়মাসের মধ্যে আটা আনা মুল্যের একখানি টিকিটসহ, ‘আমাকে পত্র লিখলেই সবিশেষ জানতে পারবেন।’
ধনী হতে সকলেরই ইচ্ছা, সুতরাং বিজ্ঞাপনদাতার ওপর রাশি রাশি পত্র আসতে লাগল। কিন্তু ছয়মাস কেটে গেল, তবুও কেউ উত্তর পেল না। ব্যাস্ত হয়ে অনেকে পুণরায় পত্র লিখতে লাগলো। তখন সে ব্যাক্তি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিল যে, আমি আগের বিজ্ঞাপন অনুসারে যে টিকিট পেয়েছি, তা বিক্রয় করে আমার লক্ষাধিক টাকা হয়েছে! এ অপেক্ষা সহজে ধনী হওয়ার আর কি কোন সহজ উপায় আছে?

।। সত্য ও মিথ্যা ।।
শিক্ষকঃ জানো মিথ্যা কথা বললে কি হবে?
ছাত্রঃ আজ্ঞে হ্যাঁ, নরকে যাবো।
শিক্ষকঃ তা ঠিক। আর সত্য কথা বললে কি হবে?
ছাত্রঃ আজ্ঞে স্যার, আমরা মামলায় হেরে যাবো।

।। স্বাক্ষর ।।
সভাপতি পার্টির সভায় যোগ দিতে এসেই টেবিলের উপর একটা চিরকুট পেলেন, তাতে লেখা- গাধা!
সভায় বক্তৃতা দেবার সময় তিনি কথাটা ঘুরিয়ে বললেন-এমন অনেক উদাহারণ আছে- মানুষ চিঠি লিখে তলায় তার নিজের নাম স্বাক্ষর করতে ভুলে গেছে। কিন্তু আজ এখানে এসে একটা নতুন জিনিস দেখতে পেলাম। এখানে এসে আমি একটা চিঠি পেলাম, তাতে লেখক তার নাম স্বাক্ষর করেছে ঠিকই, কিন্তু আসল চিঠিটাই লিখতে ভুলে গেছেন।

এবার হযতো সবগুলো ভালোমতো উপভোগ করেননি। এবারকারগুলো একটু মন্দ হয়েছে। তবে কয়েকটা মজার মজারও আছে।

কৌতুকণা পার্ট ২

।। কাটবেন না ।।
মাষ্টারঃ তুমি পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্র হয়েও গরু বানান জানো না? গুরু লিখেছো?
ছাত্রঃ তাহলে কি স্যার, আপনি ওটা কাটবেন নাকি?
মাষ্টারঃ কেন? কাটবো না কেন?
ছাত্রঃ আমনি বামুন হয়েও গরু কাটবেন? আপনার অধর্ম হবে না?

।। ছেলের বুদ্ধি ।।
বাড়ির মালি তার বাড়ির পাশে একটা নোটিশ বোর্ড টাঙ্গিয়ে দিয়েছিল, তাতে লেখা ছিল-‘বাড়ি ভাড়া দেওয়া হবে।’ তার সঙ্গে একটা শর্তও লেখা ছিল-যে পরিবারের ছোট ছেলেমেয়ে নেই, তাকেই এই বাড়ি ভাড়া দেওয়া হবে। একদিন একটা বাচ্চা ছেলে বাড়িওয়ালার কাছে গিয়ে বলল, আমি আপনার বাড়ি ভাড়া নিতে চাই। আমার কোন ছোট ছেলেমেয়ে নেই। শুধু আমার মা আর আমার বাপ আছে। ছেলের কথা শুনে তো বাড়ির মালিক ‘থ’!

।। পকেটে একটা টাকাও নেই ।।
একদিন এক ভদ্রলোক দামী জামাকাপড় পড়ে বাসে করে যাচ্ছিল। এক পকেটমার তার পকেটে হাত দিল। হাতেনাতে ভদ্রলোকটি তাকে ধরে ফেলল। বললো, তোমার লজ্জা করে না? আমর পকেট মারছো?

পকেটমারটি বলল- লজ্জাতো আপনারই করা উচিত। কারণ এতো দামী জামাকাপড় পড়ে বেড়াচ্ছেন অথচ পকেটে একটা টাকাও নেই!

।। দান ।।
ভিখিরীঃ হুজুর দয় করে আমাকে কিছু দেন। না খেয়ে আছি।
ভদ্রলোকঃ কিন্তু বাপু তোমাকে দেখে তো ভিখিরী বরে মনে হয় না। যাকগে, এই নাও দশটা টাকা। এখন বলো, তোমার এ হেন দশা হল কোন দোষে?
ভিখিরীঃ আজ্ঞে, আপনার মতো দোষেই। মুক্ত হস্তে দান করে গেছি জীবনে। তাই।

।। এখন কি করব ।।
এক গুহস্থের বাড়িতে চোর সিতি কেটে তার সমস্ত জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে গেল। গৃহস্থ প্রতিবেশী চৌকিদারকে গিয়ে বলল-আমার সর্বনাশ হয়েছে। এখন উপায় যা হয় করুন।
চৌকিদার বলল-আহা, শুনে বড় আপসোস হচ্ছে, যদি আপনি চুরির আগে আমাকে খবর দিতেন তাহ’লে উপায় হতো, এখন কি করবো?

কৌতুকনা

।। মারছিল ।।
ছেলে-পুলিশ, পুলিশ, শীঘ্র এসো। একটা লোক আমার বাবাকে এক ঘন্টা ধরে মারছে।
পুলিশ-সে কি! এতক্ষন আমাকে ডাকোনি কেন?
ছেলে-এতক্ষন যে আমার বাবাই লোকটিকে ধরে মারছিল।

।। মাথার চুল ।।
বাবা-খোকা, তুই বড় দুষ্টু হয়েছিস। তোর দুষ্টুমি সামলাতে আমার মাথার সব চুলই তো পেকে গেল।
খোকা-তাহলে বাবা, দাদুর মাথার সব চুল কি করে পাকল?

।। সুযোগ ছিল না ।।
শিক্ষক- বলো তো প্রথম পানিপথের যুদ্ধ কেন হয়েছিল?
ছাত্র-বোধহয় স্হলপথে এমন যুদ্ধ করার সুযোগ ছিল না, স্যার!

।। চিনলে কি করে ।।
খোকা মাকে শুধায়,-মা আমি তোমার কাছে আসবার আগে তুমি আমায় দেখেছিলে?
মা-না, বাবা।
তা’হলে আমায় চিনলে কি করে!

আশা করি উপভোগ করেছেন।

Aero Glass for Windows XP

আমরা যারা উইন্ডোজ ভিসতার সৌন্দর্য পছন্দ করি কিন্তু নানা সমস্যার কারণে তা আর ব্যবহার করা হয় না, তাদের জন্য একটি অসাধারণ জিনিস পেলাম। এর মাধ্যমে আপনি উইন্ডোজ ভিসতার সবচেয়ে সুন্দর জিনিস এরো গ্লাসটি এক্সপিতে থেকেই ব্যবহার করতে পারবেন। এর মাধ্যমে আপনি যে উইন্ডোটি খুলবেন তার পাশের সাইডগুলো গ্লাসের মতো দেখাবে।

ডাউনলোড করুন এখান থেকে। আশা করি উপভোগ করবেন। কোন সমস্যা হলে জিজ্ঞাসা করতে মানা নেই।